88
Mecca
The Surah takes its name from the alphabetic letter Suad with which it begins.
As will be explained below, according to some traditions this Surah was sent down in the period when the Holy Prophet had started calling the people openly to Islam in Makkah, and this had caused great alarm among the chiefs of the Quraish. If this be true, its period of revelation would be about the 4th year of the Prophethood. According to some other traditions, it was sent down after Hadrat Umar's embracing Islam, and this happened, as is well known, after the migration to Habash. Another chain of the traditions shows that the event which occasioned the revelation of this Surah took place during the last illness of Abu Talib. If this be correct, the period of its revelation would be the 10th or 11th year of the Prophethood
38:65
قُلْ إِنَّمَآ أَنَا۠ مُنذِرٌۭ ۖ وَمَا مِنْ إِلَـٰهٍ إِلَّا ٱللَّهُ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّارُ ٦٥
Say, [O Muḥammad], "I am only a warner, and there is not any deity except Allāh, the One, the Prevailing,[1]
— Saheeh International
[1]- Refer to footnotes in 12:39.
বলঃ আমিতো একজন সতর্ককারী মাত্র এবং আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই যিনি এক, পরাক্রমশালী –
— Sheikh Mujibur Rahman
38:66
رَبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَفَّـٰرُ ٦٦
Lord of the heavens and the earth and whatever is between them, the Exalted in Might,[1] the Perpetual Forgiver."[2]
— Saheeh International
[1]Honored for absolute power associated with wisdom and justice.
[2]Who continually conceals sins and faults.
যিনি আকাশমন্ডলী, পৃথিবী এবং এগুলির মধ্যস্থিত সবকিছুর রাব্ব, যিনি পরাক্রমশালী, মহা ক্ষমাশীল।
— Sheikh Mujibur Rahman
38:67
قُلْ هُوَ نَبَؤٌا۟ عَظِيمٌ ٦٧
Say, "It is great news
— Saheeh International
বলঃ এটা এক মহা সংবাদ –
— Sheikh Mujibur Rahman
38:68
أَنتُمْ عَنْهُ مُعْرِضُونَ ٦٨
From which you turn away.
— Saheeh International
যা হতে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ।
— Sheikh Mujibur Rahman
38:69
مَا كَانَ لِىَ مِنْ عِلْمٍۭ بِٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰٓ إِذْ يَخْتَصِمُونَ ٦٩
I had no knowledge of the exalted assembly [of angels] when they were disputing [the creation of Adam].
— Saheeh International
উর্ধ্বলোকে তাদের বাদানুবাদ সম্পর্কে আমার কোন জ্ঞান ছিলনা।
— Sheikh Mujibur Rahman
38:70
إِن يُوحَىٰٓ إِلَىَّ إِلَّآ أَنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌۭ مُّبِينٌ ٧٠
It has not been revealed to me except that I am a clear warner."
— Saheeh International
আমার নিকটতো এই অহী এসেছে যে, আমি একজন স্পষ্ট সতর্ককারী।
— Sheikh Mujibur Rahman
Allah tells His Messenger to say to those who disbelieved in Allah, associated others in worship with Him and denied His Messenger: `I am a warner, I am not as you claim.'
وَمَا مِنْ إِلَـهٍ إِلاَّ اللَّهُ الْوَحِدُ الْقَهَّارُ
(and there is no God (worthy of worship) except Allah, the One, the Irresistible,) means, He Alone has subjugated and controlled everything.
رَّبُّ السَّمَـوَتِ وَالاٌّرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا
(The Lord of the heavens and the earth and all that is between them,) means, He is the Sovereign of all that and is in control of it.
الْعَزِيزُ الْغَفَّارُ
(the Almighty, the Oft-Forgiving.) means, He is Oft-Forgiving as well as being Almighty and All-Powerful.
قُلْ هُوَ نَبَأٌ عَظِيمٌ
(Say: "That (this Qur'an) is a great news,") means, `something very important, which is that Allah has sent me to you.
أَنتُمْ عَنْهُ مُعْرِضُونَ
(From which you turn away!) means, `you neglect it.'
مَا كَانَ لِىَ مِنْ عِلْمٍ بِالْمَـَلإِ الاٌّعْلَى إِذْ يَخْتَصِمُونَ
(I had no knowledge of the chiefs (angels) on high when they were disputing and discussing. ) meaning, `were it not for the divine revelation, how could I have known about the dispute of the chiefs on high (the angels)' This refers to their dispute concerning Adam, peace be upon him, and how Iblis refused to prostrate to him and argued with his Lord because He preferred him (Adam) over him. This is what Allah says:
আল্লাহ্ তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তিনি যেন কাফির ও মূশরিকদেরকে বলেনঃ আমার সম্পর্কে তোমাদের ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। আমি তো তোমাদেরকে শুধু সতর্ককারী। আল্লাহ্, যিনি এক ও শরীক বিহীন, তিনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য আর কেউই নেই। তিনি একক। তিনি সব কিছুর উপরই পূর্ণ ক্ষমতাবান। সব কিছুই তার অধীনস্থ। তিনি যমীন, আসমান এবং এতদুভয়ের মধ্যস্থিত সব জিনিসেরই মালিক। সমস্ত ব্যবস্থাপনা তাঁরই হাতে। তিনি বড় মর্যাদাবান এবং মহা পরাক্রমশালী। তাঁর এই শ্রেষ্ঠত্ব, বড়ত্ব এবং মহাপরাক্রম সত্ত্বেও তিনি মহা ক্ষমাশীলও বটে।মহান আল্লাহ্ বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি বলঃ এটা এক মহা সংবাদ। তা হলো আল্লাহ্ তা'আলার আমাকে তোমাদের নিকট রাসূলরূপে প্রেরণ করা। কিন্তু হে উদাসীনের দল! এরপরেও তোমরা আমার বর্ণনাকৃত প্রকৃত ও সত্য বিষয়গুলো হতে বিমুখ হয়ে রয়েছো! এটাও বলা হয়েছে যে, “এটা বড় জিনিস” দ্বারা কুরআন কারীমকে বুঝানো হয়েছে।মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ বলেন, হে নবী (সঃ)! তুমি তাদেরকে আরো বলঃ “হযরত আদম (আঃ)-এর ব্যাপারে ফেরেশতাদের মধ্যে যে বাদানুবাদ হয়েছিল, যদি আমার কাছে অহী না আসতো তবে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানতে পারতাম কি? ইবলীসের হযরত আদম (আঃ)-কে সিজদা না করা, মহামহিমান্বিত আল্লাহর সামনে শয়তানের বিরুদ্ধাচরণ করা এবং নিজেকে বড় মনে করা ইত্যাদির খবর আমি কি করে দিতে পারতাম?”হযরত মুআয (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদা রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) ফজরের নামাযে আসতে খুবই বিলম্ব করেন। এমনকি সূর্যোদয়ের প্রায় সময় হয়ে আসে। অতঃপর তিনি খুব তাড়াহুড়া করে বেরিয়ে আসেন। নামাযের ইকামত দেয়া হয় এবং তিনি খুব হালকাভাবে নামায পড়িয়ে দেন। সালাম ফিরানোর পর বলেনঃ “তোমরা যেভাবে আছ ঐ ভাবেই বসে থাকো।” তারপর আমাদের দিকে মুখ করে তিনি বলেনঃ “রাত্রে আমি তাহাজ্জুদের নামাযের জন্যে উঠেছিলাম। নামায পড়তে পড়তে আমাকে তন্দ্রা পেয়ে বসে। শেষ পর্যন্ত আমি জেগে উঠি এবং আমার প্রতিপালককে সুন্দর আকৃতিতে দেখতে পাই।
তিনি আমাকে বলেন, “ঊর্ধ্বলোকে ফেরেশতারা এ সময় কি নিয়ে বাদানুবাদ করছে তা জান কি?” আমি উত্তর দিলামঃ হে আমার প্রতিপালক! না, আমি জানি না। এভাবে তিনবার প্রশ্ন ও উত্তর হলো। অতঃপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ আমার দুই কাঁধের মাঝে হাত রাখলেন। এমন কি আমি তাঁর অঙ্গুলীসমূহের শীতলতা অনুভব করলাম এবং এরপর আমার কাছে সব কিছু উজ্জ্বল হয়ে গেল। আবার আমাকে জিজ্ঞেস করা হলোঃ “আচ্ছা, এখন বলতো, ঊর্ধ্বলোকে কি নিয়ে বাদানুবাদ হচ্ছে?” আমি উত্তরে বললামঃ গুনাহর কাফফারা সম্বন্ধে আলাপ আলোচনা চলছে। পুনরায় তিনি প্রশ্ন করলেনঃ “বলতো কাফফারা (পাপ মোচনের পন্থা) কি কি?” আমি জবাব দিলামঃ জামাআতে নামায পড়ার জন্যে পা উঠিয়ে চলা, নামাযের পরে মসজিদে বসে থাকা এবং মনে না চাওয়া সত্ত্বেও পূর্ণভাবে অযু করা। মহান আল্লাহ্ আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ “কিভাবে মর্যাদা বৃদ্ধি পায়?” আমি উত্তরে বললামঃ (দরিদ্রদেরকে) খাদ্য খেতে দেয়া, নম্রভাবে কথা বলা এবং রাত্রে যখন লোকেরা ঘুমিয়ে থাকে তখন উঠে নামায পড়া। তখন আমার প্রতিপালক আমাকে বললেনঃ “কি চাইবে চাও।” আমি বললামঃ আমি আপনার কাছে ভাল কাজ করার, মন্দ কাজ পরিত্যাগ করার এবং দরিদ্রদেরকে ভালবাসার তাওফীক প্রার্থনা করছি। আর এই প্রার্থনা করছি যে, আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন, আমার প্রতি সদয় হবেন এবং যখন কোন কওমকে ফিত্নায় ফেলার ইচ্ছা করবেন, ঐ ফিতায় আমাকে না ফেলেই উঠিয়ে নিবেন। আর আমি আপনার কাছে আপনার মহব্বত, যে আপনাকে মহব্বত করে তার মহব্বত এবং এমন কাজের মহব্বত প্রার্থনা করছি যা আমাকে আপনার মহব্বতের নিকটবর্তী করে। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) বলেনঃ “এটা সম্পূর্ণরূপে সত্য। এটা তোমরা নিজেরা পড়বে ও অন্যদেরকে শিখাবে।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন এবং এটা বিখ্যাত স্বপ্নের হাদীস। কেউ কেউ বলেন যে, এটা জাগ্রত অবস্থার ঘটনা। কিন্তু এটা ভুল কথা। সঠিক কথা এই যে, এটা স্বপ্নের ঘটনা)
ইসলামী শিক্ষা ও যিকিরের মজলিসই হল সর্ব শ্রেষ্ঠ মজলিস। আর সে মজলিসে যদি মানব জাতির সর্বোত্তম ব্যক্তি উপস্থিত থাকেন যাতে তিনি তাঁর হাদীস ও যাবতীয় শিক্ষা ও নির্দেশিকা দিবেন তা কেমন হতে পারে? তাঁর মজলিসের বিশুদ্ধতা ও তাঁর আত্মীক নির্মলতার প্রমাণই হল, ভুলকারীকে সংশোধন করে দেয়া, অজ্ঞকে শিক্ষা দেয়া, উদাসিন-গাফেলকে সতর্ক করা। তাঁর মজলিসে উত্তম কথা ও কার্যক্রম ব্যতীত অন্য কোন কিছুই তিনি মেনে নিতেন না। কেউ কথা বলা আরম্ভ করলে যদিও চুপ থেকে তার কথাগুলি তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শ্রবণ করতেন তবে তিনি কারো গীবত, পরনিন্দা ও অপবাদ দেয়া কোন ক্রমেই মেনে নিতেন না। এজন্যে তিনি অন্যের সম্মান রক্ষায় এ সব ক্ষেত্রে প্রতিবাদ করতেন।
উতবান বিন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
قام النبي - صلى الله عليه وسلم - يصلي فقال: «أين مالك بن الدخشم»؟ فقال رجل: ذلك منافق لا يحب الله ولا رسوله، فقال النبي - صلى الله عليه وسلم -: «لا تفعل ذلك، ألا تراه قد قال لا إله إلا الله يريد بذلك وجه الله، وإن الله قد حرم على النار من قال: لا إله إلا الله يبتغي بذلك وجه الله».
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে দাঁড়িয়ে বললেন: মালেক বিন আদ্দাখশামকে দেখছিনা কেন? এক ব্যক্তি বলল: সে তো মুনাফিক। কেননা সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে পছন্দ করে না। এ কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি এ কথা বলো না। তুমি কি জানো না, সে আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি কামনায় “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন মাবূদ নেই” পাঠ করেছে! আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামকে ঐ ব্যক্তির উপর হারাম করেছেন যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি কামনায় “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন মাবূদ নেই” পাঠ করবে!। [বুখারী, হাদিস: ৫৪০১; মুসলিম, হাদিস: ৩৩ ]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া থেকে নিষেধ করেছেন এবং তেমনিভাবে অন্যের অধিকার খর্ব করা থেকেও নিষেধ করেছেন।
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন:
«ألا أنبئكم بأكبر الكبائر»؟ قلنا: بلى يا رسول الله، قال: «الإشراك بالله، وعقوق الوالدين» وكان متكئًا فجلس فقال: «ألا وقول الزور» فما زال يكررها حتى قلنا: ليته سكت».
আমি কি তোমাদের সর্বাধিক বড় গোনাহ সম্পর্কে অবহিত করব না? আমরা বললাম নিশ্চয়ই, হে আল্লাহর রাসূল! অবহিত করুন। তিনি বললেন: আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করা ও পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। তিনি হেলান দিয়ে বসে ছিলেন, অত:পর তিনি উঠে বসে বললেন: সাবধান তোমরা মিথ্যা কথা হতে এবং তা বার বার বলছিলেন, শেষ পর্যন্ত আমরা বলতে লাগলাম এখন যদি তিনি চুপ হতেন। [বুখারী, হাদিস: ২৫৫৪ ]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশী বেশী আল্লাহ তা‘আলার যিকির করতেন। মুসলিম জাতির প্রধান শিক্ষক তাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইবাদাত ও আল্লাহ তা‘আলার সাথে তাঁর অন্তরের যোগাযোগ ছিল সুদৃঢ়। তাঁর জীবনের পূর্বাপর সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছিল। এরপরও তিনি আল্লাহর প্রশংসা, তাঁর শুকরিয়া জ্ঞাপন, এস্তেগফার ব্যতীত এক মূহুর্ত সময়ও অতিবাহিত করতেন না!। তিনি ছিলেন শুকর গুজার বান্দা এবং শুকরিয়া জ্ঞাপনকারী ও আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসাকারী রাসূল। তিনি তাঁর প্রভূর মর্যাদা সম্পর্কে সম্মক জ্ঞান লাভ করেই তাঁর প্রশংসা করতেন, করতেন তাঁর সমীপে প্রার্থনা, তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করতেন। তিনি স্বীয় সময়ের মূল্য সম্পর্কে বুঝতেন বলেই তিনি তা হতে উপকৃত হতে পারেছিলেন, আর সে সময়কে তিনি আল্লাহর অনুসরণ ও তাঁর ইবাদাতে কাটানোতেই ছিলেন সচেষ্ট।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন:
«كان رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يذكر الله تعالى على كل أحيانه».
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদায় আল্লাহ তা‘আলার যিকির করতেন। [মুসলিম, হাদিস: ৩৭৩ ]
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন:
سمعت رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقول: «والله إني لأستغفر الله وأتوب إليه في اليوم أكثر من سبعين مرة».
আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ আমি প্রতি দিন সত্তরের অধিক বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও তওবা করে থাকি। [বুখারী, হাদিস: ৬৩০৭ ]
মুসলিম জননী উম্মু সালামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন: তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে থাকা কালিন এ দোয়াটি বেশী পাঠ করতেন:
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ
অর্থাৎ হে অন্তর পরিবর্তনকারী! তুমি আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখো। [তিরমিযী, হাদিস: ২১৪০ ]